15 October 2017

কিভাবে Wifi Router configuration করবেন ?

কিভাবে Wifi Router configuration করবেন ?

আমি এইখানে কোনো router configuration করে দেখাচ্ছি না|কিন্তু যদি আপনি বেসিক জিনিস টি জেনে রাখেন তাহলে যেকোনো wifi-router configure করতে পারবেন|Wifi configuration করার জন্য আপনাকে কিছু basic জিনিস শিখে রাখতে হবে |কারণ বাজারে অনেক কোম্পানি wifi তৈরী করে এবং তাদের প্রতিটার settings আলাদা হয় |এই জন্য আপনাকে wifi manual দেখতে হবে |wifi তে ১ টি ,২ টি ,4 টি বা তার বেশি port থাকতে পারে |এর মধ্যে একটা WAN port এবং বাকি গুলি LAN port থাকে |WAN port মানে যেই port দিয়ে আপনার Main InternetConnection যাবে |বাকি LAN port গুলির একটি আপনার computer এর সাথে connect থাকবে |প্রতিটি wifi এর একটি ip address থাকে configuaration করার জন্য |
এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে router এর IP জানবেন ?
সাধারণত প্রতিটি router এর ip 192.168.1.1 বা 192.168.0.1 হয়ে থাকে|তবুও যদি না খোলে এই ip গুলি দিয়ে তাহলে নিচের PROCESS টি করুন|
*প্রথেমে Local Area Connection খুলুন(Local Area Connection খোলার জন্য এইখানে click করুন)
* Details এ click করুন 

*এরপর IPv4 default gateway এ তে যেই IP টি দেখাবে ,সেটি আপনার router এর IP




এই ip টি ব্রাউসার Open করে Type করতে হবে|ip টাইপ করার পর User Name এবং Password দিতে বলবে |সাধারণত user name ও password admin হয়ে থাকে|তবে কিছু ক্ষেত্রে অন্য হতে পারে|
(wifi টি configure হয়ে যাওয়ার পর এই default password মনে করে বদলে ফেলবেন)

সাধারণত প্রতিটি wifi router এ quick setup/setup router option টি থাকে|এই option এর দ্বারা আপনি router টি খুব তারাতারি setup করতে পারবেন|quick setup এ click করে connection mode select করতে হয় |অর্থাৎ আপনি static /DHCP/PPoE/Auto detect mode করবেন|এইখানে কোন option টি select করবেন সেটি depend করবে আপনার ISP কোন ধরনের পরিষেবা ব্যবহার করে|কিছু  ISP DHCP (DHCP থাকলে আপনাকে নিজে থেকে কোনো IP দিতে হবে না) ব্যবহার করে , আবার কিছু ISP static IP (static থাকলে আপনাকে manually IP বসাতে হবে যেইটি আপনার ISP আপনাকে দিয়েছে ) ব্যবহার করে ,এবং কিছু ISP PPoE (PPoE থাকলে আপনার একটি user name ও password থাকবে ) ব্যবহার করে|তাহলে mode select করে next এ click করে আপনার wifi settings আসবে|এই খানে আপনার wifi name,wifi password দিয়ে finish করলে আপনার router টি ব্যবহার করার মত উপযোগী হয়ে যাবে|Advance settings এর জন্য আপনাকে আপনার router এর ম্যানুয়াল দেখতে হবে|

Wifi তে যে জিনিস গুলি আপনাকে জানতেই হবে –

DHCP : যদি আপনি এই mode টি select করেন তবে আপনাকে wifi router এ কোনো ip address বসাতে হবে না |

Static IP : এই mode টি select করলে wifi router এ ip বসিয়ে configure করতে হবে |

PPoE (Point-to-Point Protocol over Ethernet) : যদি আপনার ISP Dial Up connection Use করে তাহলে এই mode টি select করবেন |Telephone Company গুলি এই ধরনের connection Use করে থাকে |

SSID : আপনার wifi এর যেই নামটি দিতে চান ,সেটি হলো SSID|

MAC address Filterning : ধরে নিন আপনি চাইছেন আপনার wifi এর password জানা সর্তেও আপনার wifi এর সাথে কেও কানেক্ট হতে পারবে না ,তাহলে আপনাকে এই option টি active করে রাখতে হবে |এই option টি active করে আপনি যেই ডিভাইস গুলি কানেক্ট করতে চান সুধু সেই ডিভাইস গুলির MAC allow করতে হবে |এইখানে আপনি আরো একটি option পাবেন MAC address block করার |আপনি যেই device এর MAC address টি block করবেন সেই ডিভাইস টি connect থাকলেও আপনার wifi use করতে পারবে না |

Hide SSID : যদি আপনি চান আপনার wifi টি চলবে কিন্তু কেও দেখতে পাবে না তাহলে এই option টি active করতে পারবেন |এই option টি active করার পর আপনি যদি কোনো মোবাইল কানেক্ট করতে চান তাহলে mobile wifi settings এ Add network option পাবেন|এই Add network option এ গিয়ে আপনার wifi এর নাম এবং password দিয়ে manually কানেক্ট করতে হবে|

DHCP address range : wifi এর DHCP settings এ আপনি এই option টি পাবেন|wifi এর সাথে কোনো ডিভাইস কানেক্ট করলে wifi সেই ডিভাইস টিকে একটি IP দেয়|wifi এই address range টি কিছুটা এইরকম থাকে 192.168.1.2 to 192.168.1.254 |এর মানে হচ্ছে 2 থেকে 254 টি IP আপনি use করতে পারবেন |যদি আপনি এই range টি কমিয়ে দেন তাহলে unlimited user আপনার wifi টি use করতে পারবেন না|

যেকোনো wifi router settings এ কোনো প্রবলেম হলে router এর মডেল দিয়ে নিচে কমেন্ট করুন|



কিভাবে Ip address computer এ বসাবেন ?

কিভাবে Ip address computer  এ বসাবেন ?


IP address configure করা এখন সবাই বলতে গেলে জানে|তবুও অনেকে আছেন যাদের এই বেপারে কোনো ধারণা নেই|তাদের জন্য এই পোস্ট টি কাজে লাগবে|
প্রথম :
IP address  বসানোর আগে আমাদের জানতে হবে কিভাবে Local Area Connection খুলবেন |
আপনি key board থেকে windows button(ctrl এবং alt button এর মাঝে থাকে windows button ) এবং R button একসাথে press করুন |একটি নতুন window খুলবে |এখানে Type করুন ncpa.cpl এবং enter press করুন |এইবার আপনি Local Area Connection এর ওপর Right click করুন ও propertise select করুন |এখান থেকে Internet Protocol Version4 এর ওপর double click করুন |
Use the following ip address select করুন এবং আপনার IP টি বসান |এরপর ok করুন |
দ্বিতীয় :
Taskbar এ যেইখানে Date/Time দেখায় সেইখানে একটি LAN এর symbol দেখতে পাবেন|এই symbol টি তে right click করুন àএর পর open network & sharing centre এ click করুন àওপরের দিকে Change adapter settings এ click করুন àএইখানে Local area connection পেয়ে যাবেন|


Local Area Connection Open করার অনেক গুলি পদ্ধতি আছে |এখানে আমি সব থেকে সুভিধার টি আলোচনা করলাম |

কোনরকম প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন |

ইন্টারনেট ,ইন্ট্রানেট,প্রক্সি এবং DNS সার্ভার

ÆINTERNETÅ



বর্তমানে ইন্টারনেট কথাটি শোনেনি এমন মানুষ খুব কম এ আছে। অনেকগুলি কম্পিউটার মিলে যখন LAN তৈরি হয় বা একটি শহরের MAN কে আমরা ইন্টারনেট বলতে পারি না। LAN,MAN কে অনেকে ইন্টারনেট বলে থাকে কৈশলগত অসঙ্গতি (Technical incompatibilities) থাকা সত্ত্বেও অনেকগুলি বিষমধর্মী (Heterogeneous) network যখন Gateway এর মাধ্যমে যুক্ত হয় world wide যোগাযোগ পরিষেবার সুবিধা দেয়, তখন সেই system কে Internetwork বা সংক্ষেপে Internet বলে। Internet হছে Network of networksঅনেকগুলি LAN যুক্ত হয়ে তৈরি হয় MANঅনেক MAN একসাথে তৈরি হয় WANএইভাবে ভিন্ন network একত্রে তৈরি হয় Internet
USE OF INTERNET:-
(1)     Email পাঠাতে পারি ও গ্রহন করতে পারি। Email ID Account তৈরি করতে পারি।
(2)    Website তৈরি ও Access করতে পারি।
(3)    News, Live TV, Video, Chatting ইত্যাদি করতে পারি।
(4)    VOIP এর মাধ্যমে ফোন করতে পারি।
(5)    Online shopping, Bank related work ইত্যাদি ও নানান ধরনের কাজ করতে পারি।
ইন্টারনেট যেহুতু LAN MAN সমূহের network, সেইজন্য internet এ সমস্ত মাধ্যম ব্যবহার হয়। যেমন – Satellite, Microwave, OFC, Radio wave, Twisted pair, Co-axial cableLAN MAN এর যাবতীয় hardware software internet এ ব্যবহৃত হয়।
INTRANET: - INTRANET হছে internet এর পরিকাঠামো ও আদর্শ ব্যবহার করে ও world wide web এর সুবিধা দিতে সাহায্য করে। Intranet হছে internet এর মতই। তবে এটি হছে private network
এটি হছে LAN অপেক্ষা বৃহত্তর।
এটি ব্যবহারের জটিলতা কম।
 এখান থেকে Internet access সম্ভব।
এটি ব্যবহারের খরচ তুলনামুলক কম।
এই ধরনের নেটওয়ার্ক এ group এর মধ্যে যোগাযোগ রাখার সুবিধা পাওয়া যায়।
এটি client server network নয়।
   Domain Name System  :- যখন আমরা কোন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে চাই তখন সর্বপ্রথম তার ফোন নম্বর খুজি। আপনার ফোনে একজনের নম্বর save থাকে কিভাবে? তার নম্বর টাইপ করেন ও তারপর তার নাম লিখে save করেন। এরপর তার সাথে যোগাযোগ করার হলে তার নাম তা খুজি ফোনের মধ্যে। এইটি হছে সহজতর পদ্ধতি। কারন প্রতিটি ব্যক্তির নম্বর মনে রাখা সম্ভব নয়। Domain name system হছে এইরকম ব্যবস্থা। আমরা যেই website এর address গুলি browser type করি সেই website এর বিপরীতে Ip address খুজে নেওয়াকে বলা হয় Name resolutionInternet এ ব্যবহৃত বিভিন্ন host এর নামকরন পদ্ধতি হল Domain Name systemIP address কে নামে পরিবর্তন করাকে বলা হয় Domain Name Service বা DNSInternet এ অবস্তিত সকল host কে প্রথমে কয়েকটি zone এ বিভক্ত করা হয়ছে। একে বলা হয় TLD বা Top level Domainযেমন .com, .net, .org, .govএইসব TLD এর অধীনে থাকে বিভিন্ন Domainএকটি Domain এর অধিনে অনেক Host থাকতে পারে। নির্দিষ্ট Domain এর অধিন host সমূহের IP address সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে ঐ Domain জন্য নির্দিষ্ট DNS server এ।
●  Firewall :-
      Firewall হল একটি বিশেষ Security systemযার সাহায্যে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্ক এ Data প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এক নেটওয়ার্ক থেকে আর এক নেটওয়ার্ক এ Data পরিবাহিত হলে সেটিকে firewall তার নিয়মানুসারে সেই data কে পরীক্ষা করে দেখে এবং যদি সেই data এর গন্তব্যে যাওয়ার অনুমতি আছে,তাহলে সেটিকে যেতে দেয়। আর তা নাহলে সেটিকে পরিত্যাগ করে। তিন ধরনের Firewall ব্যবহার করা যেতে পারে। 
1. Packet level firewall  2. Application level firewall  3.  Circuit level firewall
 সুবিধা :
§        Private Network কে সুরক্ষিত করা।
§       গুরুত্বপূর্ণ system গুলিকে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষা করা।
§       কোনো network এর অভ্যন্তরীণ গোপনীয়তা রক্ষা করা।
  Proxy Server  :-
          এটি হল application level firewall এর একটি উদাহরন। এটি HTTP অনুরোধ গ্রহন করে এবং সেগুলি অন্য protocol এ অনুবাদ করে। কোনো নেটওয়ার্ক এ একটি PC তে মোডেম বা অন্য Internet সংযোগ থাকে তবে proxy server নামক software ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক এর জন্য সমস্ত ব্যবহারকারীরা ঐ একই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। Cyber cafe তে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। Proxy server এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল ব্যবহারকারীর পরিচয় নেট এ গোপন রাখা। যখন user Proxy server ছাড়া সরাসরি কোনো মাধ্যমে internet এ যুক্ত থাকে,তখন কোনো Hacker ইচ্ছা করলে সেই user কে hack করতে পারে। Proxy server যেহুতু সরাসরি সংযোগের পরিবর্তে একটি অন্তবর্তী মাধ্যম হিসাবে কাজ করে,তাই net এ তথ্য ফাঁস হতে দেয় না। Proxy server এর configuration এমন হওয়া
প্রয়জন যাতে তার নিজস্ব কোনো পরিচিতি না থাকে। একে বলে Anonymous Proxy Server

প্রচুর Proxy server রয়েছে। কিছু আছে Free ware, আবার কিছু খুব দামি। windows এর জন্য রয়েছে Microsoft Proxy Server, Winproxy, Avirt Gateway

আগের অধ্যায় BASIC SERVER KNOWLEDGE(Click করুন)

প্রথম অধ্যায় BASIC NETWORKING(Click করুন)


বেসিক সার্ভার সমন্ধে ধারোনা

ÆBASIC SERVER KNOWLEDGEÅ

Network কোন কাজে ব্যবহার করা হবে তার উপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হয় computer networkএকটি বাড়ি তৈরি করতে যেমন একটি plan দরকার হয় তেমন ই নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কিছু plan দরকার হয়।
কাজের উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্ক কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
Peer to Peer : এই নেটওয়ার্ক এ প্রতিটি user তাদের resource share করতে পারে। মানে প্রতিটি কম্পিউটার এখানে একইসাথে server workstationএই ধরনের নেটওয়ার্ক 10 জন user এর জন্য সুবিধাজনক। এই নেটওয়ার্ক তৈরি করার জন্য কোনো network operating system দরকার পড়ে না।

Client server network : এই ধরনের নেটওয়ার্ক এ একটি প্রধান Computer/Server থাকে। যার সাথে অন্যান্য কম্পিউটার যুক্ত থাকে। এই server থেকে যারা তথ্য access করতে পারবে তারা হবে clientএইজন্য একে Client server network বলে। এই নেটওয়ার্ক এ 10 জন থেকে শুরু করে 1000 জন user হতে পারে। user level access control ব্যবহার করা হয় বলে প্রতিটি user কে login করে access করতে হয়। client server network এ বিশেষ ধরনের Hardware Software ব্যবহার হয়।

Hybrid : Peer to peer network client server network একসাথে এই hybrid network গড়ে তোলে।

  Server  :-
     Server বলতে অনেকে ভাবেন কোনো বড় ধরনের কম্পিউটার। server আসলে হার্ডওয়্যার কম সফটওয়্যার বেশী বোঝায়। তবে এর অর্থ এই নয় যে হার্ডওয়্যার এর ভূমিকা কম। একটি Pc কে আমরা server হিসাবে ব্যবহার করতে পারিতবে এর জন্য server operating system দরকার পড়ে।
  Types of server  :-
File Server : File server হল নেটওয়ার্ক এ প্রতিটি user এর মধ্যে file share করে| যাতে তারা যেকোনো সময় তাদের প্রয়োজনীয় file এ প্রবেশ করতে পারে। File server hard disk এ অনেক জায়গার প্রয়োজন হয় এবং Ram capacity বেশী দরকার হয়।
Print Server : শুধুমাত্র একটি printer ব্যবহার করে যাতে print করতে পারে user রা, সেইজন্য Print server গঠনের প্রয়োজন হয়। এখানে একটি বা তার বেশী printer ও ব্যবহার হতে পারে।
Messaging Server : প্রতিটি user এর মধ্যে messaging service দেওয়ার জন্য এই server দরকার পড়ে। messaging server বিভিন্ন হতে পারে। যেমন E-mail, Groupware
Application server : User রা যাতে একটি server থেকে বিভিন্ন application ব্যব হার করতে পারে সেইজন্য এটি ব্যবহার হয়। ধরাযাক একটি office 100 টি কম্পিউটার আছে। প্রতিটি তে Ms office install করতে হবে। তাহলে অনেক সময় লাগবে। যদি application server Ms office install করা হয়, তাহলে যেকোনো user ওই server থেকে Ms office use করতে পারবে। Web server, Ftp server এই ধরনের application server
Data base server : এই Server user দের data base ব্যবহার করার সুবিধা দেয়। যেমন Oracle Server
কিছু জেনে রাখার বিষয় :-
Bandwidth: একটি মাধ্যমে অনেক সময় কি পরিমান data পরিবাহিত হতে পারে তাকে তার Bandwidth বলে। যদি কোনো cable এ সেকেন্ডে 10 Mb data পরিবাহিত হতে পারে তাহলে তার Bandwidth হবে 10 Megabits/Second বা 10 Mbpsমিডিয়ার Bandwidth যত বেশী হবে তত ভালো।
Attenuation: কোনো মিডিয়ার মধ্য দিয়ে signal কিছুদূর গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে। এভাবে বেশিদূর গেলে একেবারে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। দূরতের সাথে signal কমে যাওয়াকে attenuation বলে। মিডিয়ার attenuation যত কম তত ভালো।
EMI: কোন electric signal এর আশেপাশে অন্য কোন signal থাকলে একটি আর একটি কে প্রভাবিত করে। একে electromagnetic interface বলে। যে মিডিয়ার EMI প্রতিরোধ ক্ষমতা যত বেশী, সে মিডিয়া তত ভালো।

Eavesdropping: কোন মিডিয়ার EMI পতিরোধক ক্ষমতা কম হলে সেই মিডিয়ার পাশে signal trap সেট করে signal capture করে data পুনরুধার হতে পারে। একে বলে eavesdropping

পরবর্তী অধ্যায়  INTERNET(Click করুন)

আগের অধ্যায় NETWORK CONNECTOR(Click করুন)


13 October 2017

নেটওয়ার্ক এ বিভিন্ন কানেক্টর এবং ডিভাইস

ÆNETWORK CONNECTORSÅ
                  
এখানে আমরা বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সম্পর্কে জানবো।


Lan Card : কম্পিউটার কে নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত করার জন্য বিশেষ ইন্টারফেসের দরকার পড়ে। LAN card এই ইন্টারফেস এর কাজ করে। কম্পিউটার operating system এর সাথে যোগাযোগ গড়ার জন্য Lan card বিশেষ software ব্যব- হার করে থাকে। যাকে বলা হয় Driverপ্রতি Lan card এর বিভিন্ন MAC address থাকে যা পরিবর্তন করা যায় না। Lan card এর সাথে আমরা RJ-45 connector ব্যবহার করে থাকি।

Node : যে কোনো নেটওয়ার্ক এ অবস্তিত সমস্ত work station কে Node বলা যেতে পারে। work station হল computer,printer,router,brouter,gateway ইত্যাদি নেটওয়ার্ক সংযোগ উপাদান সমূহ।

Host : Host বলতে নেটওয়ার্ক এ যুক্ত কম্পিউটার কে বোঝায় যার মূল কাজ নেট ব্যবহারকারীদের নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রদানের সুবিধা দান করা। Host Network এ মূলত server এর ভূমিকা পালন করে 

Hub : যেখানে বিভিন্ন work station থেকে আসা cable সমূহ যুক্ত হতে পারে তাকে আমরা Hub বলতে পারি। বিভিন্ন port বিশিষ্ট Hub বাজারে পাওয়া যায়যেমন- 8 Port, 16 Port, 24 Port ইত্যাদি। Hub input signal কে সমস্ত port এ সমান ভাবে ছড়িয়ে দেয়। এই Port গুলিতে সাধারনত RJ-45 connector ব্যবহৃত হয়। গঠন অনুসারে Hub কে দুভাগে ভাগ করতে পারি। Chassis Hub Stackable Hubএছাড়া তিন ধরনের Hub আছে। Passive Hub, Active Hub, Inteligent HubInteligent Hub signal কে processing,filtering ইত্যাদি করতে পারে। যার ফলে নেটওয়ার্ক এ অযথা traffic তৈরি হয় না। Managed Stackable Hub বিশেষ software ব্যবহার করে। যার দ্বারা বিভিন্ন port এর অবস্থা, কোনটি কী পরিমান Data Transfer করছে তা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

    Repeater : বিভিন্ন Media এর মাধ্যমে Signal transmission এর সময় attenuation এর কারনে সেই signal ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে। সেই জন্য signal কে amplify করার জন্য Repeater ব্যবহৃত হয়। রিপিটার দু ধরনের। Amplifier Signal Re-generatorAmplifier পুরো সিগনাল কে amplify করে। এটি অপ্রয়োজনীয় signal থাকলেও সেটিকে amplify করে। আবার শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় signal কে amplify করার জন্য ব্যবহার হয় signal Re-generator repeater

  Bridge : Bridge এমন একটি ডিভাইস যার মাধ্যমে দুটি নেটওয়ার্ক segment কে যুক্ত করা যেতে পারে। এটি Hub এর মতই,তবে এর কার্যপ্রণালী আলাদা। এটি প্রতিটি সেগমেন্টে বিভিন্ন ডিভাইস এর হিসেব রাখার জন্য ব্রিজিং টেবিল তৈরি করে। এতে থাকে উভয় সেগমেন্টের বিভিন্ন ডিভাইস এর MAC addressকোন data packet এর MAC address দেখে এটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে ওই packet টি কোন অংশে পাঠানোর দরকার আছে কিনা। এই কাজ গুলি করার জন্য Bridge STP (Spanning Tree Protocol)  ব্যবহার করে।

    Switch : Switch কথাটি বল্লে প্রথমেই বাড়ির লাইট বোর্ডের switch গুলির কথা মনে পড়ে। Computer network switch আলাদা। switch আসলে একাধিক port বিশিষ্ট Bridgeকোন data frame switch এর নিকট আসলে switch সেই frame এর গন্তব্য MAC address দেখে এর নির্দিষ্ট port এ সেই frame কে পাঠিয়ে দিতে পারে। একটি switch তার সাথে যুক্ত সকল node এর MAC address এর তালিকা সংরক্ষণ করে। switch দু ভাবে কাজ করে। cut through mode এবং Store and forward modecut through mode switch এর নিকট কোন data frame এর 14 byte আসার সাথে সাথেই এটি বুঝতে পারে কোন port এ এই frame কে পাঠাতে হবে। এরফলে transmission খুব দ্রুত হয়। store and forward mode switch পুরো data frame পাওয়ার পর সেটি পড়ে switch সিদ্ধান্ত নেয় যে সেই data frame কে কোন port এ পাঠাতে হবে। এতে কিছু সময় লাগলেও এটি সুবিধাজনক। যদি দেখে কোনো data frame ক্রুটিযুক্ত তাহলে switch সেটিকে পাস না করে উৎস কম্পিউটার এ re-transmit করে।

    Router : Network device এর সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Routerএক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্ক এ data পাঠানোর পদ্ধতিকে Routing বলে। এই routing এর জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস হল Routerrouter হল bridge এর মতই ডিভাইস। কিন্তু এটি data কে অনেক জটিল ভাবে ব্যবহার করে। দুই বা ততধিক নেটওয়ার্ক কে যুক্ত করে এই Routerতবে Multiprotocol Router ও রয়েছে। router একটি ভিন্ন ডিভাইস হতে পারে। যেমন CISCO Router, বা একটি কম্পিউটার কে router হিসাবে কাজে লাগানর জন্য configure করা যেতে পারে। Linux Unix server কে Router হিসাবে ব্যবহার করে যায়।

   Brouter : Router এবং Bridge এর সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে Brouterএটি একই সঙ্গে Bridge Router এর কাজ করতে পারে।

   Gateway : Gateway হল এমন একটি ডিভাইস যা ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক সমূহ কে যুক্ত করার জন্য ববহৃত হয়। Router,Bridge,Hub,Switch এইসব ডিভাইস protocol translession এর সুবিধা দেয় না, কিন্তু Gateway এটি করতে পারে। Gateway কয়েক ধরনের হতে পারে। যেমন Address Gateway, Protocol Gateway, Application Gateway ইত্যাদি।  


পরবর্তী অধ্যায়  BASIC SERVER KNOWLEDGE(Click করুন)

আগের অধ্যায় NETWORK PROTOCOL(Click করুন)



12 October 2017

নেটওয়ার্ক এ Protocol

ÆPROTOCOLÅ

একটি নেটওয়ার্ক এ শুধুমাত্র মিডিয়া থাকলেই একটি কম্পিউটার আর একটি কম্পিউটার এর সাথে যোগাযোগ গড়তে পারে না। একটি মানুষ আর একটি মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে প্রথমে তাদের একই ভাষা জানতে হবে। দুজনই যদি ভিন্ন ভাষাতে কথা বলে তবে কেউ কাউকে কিছু বোঝাতে পারবে না। ভাষা যেমন এক ধরনের নিয়ম কানুন ঠিক তেমনই হল Protocol Protocol এ বলা থাকে একটি কম্পিউটার অন্যটির সাথে কিভাবে যোগাযোগ করবে। ভাষার মতই বিভিন্ন protocol আছে এবং একটি অন্যটির থেকে ভিন্ন।
দুটি কম্পিউটার যখন একটি আরেকটির নিকট ডাটা পাঠায় তখন সেই দুটি কম্পিউটার এর মাঝে সমঝোতা হওয়া দরকার যে তারা কোন নিয়মে Signal পাঠাবে। একটি কম্পিউটার যে নিয়মে signal পাঠাছে তা বোঝার ক্ষমতা যদি অন্য কম্পিউটার এর না থাকে তবে যোগাযোগ সম্ভব হবে না। উভয় কম্পিউটার কে একই Protocol ব্যবহার করতে হবে। কয়েকটি Protocol যখন একসাথে কাজ করে তখন সেটাকে Protocol suite বলে। বর্তমানে তিনটি জনপ্রিয় Protocol হল-
(i)                   IPX/SPX : এর পুরো অর্থ Internet Packet Exchange/Sequence Packet Exchangeএই Protocol Suite কেবল Novell Network এর সাথে ব্যবহার হয়।
(ii)                  Apple Talk : Apple computers Apple Macintosh computer এর জন্য এই Protocol suite তৈরি করে।
(iii)                TCP/IP : এটি হল ইন্টারনেট এ ব্যবহারের জন্য Protocol Suiteবিভিন্ন ধরনের প্লাটফর্মে এই Protocol ব্যবহার করা যায় বলে ইন্টারনেট এ TCP/IP ব্যবহার করা হয়। বড় ধরনের নেটওয়ার্ক এর জন্য এইটি বেশ উপযোগী
 Protocol যে সব বিষয়ে সমাধান দেয় –
·         Network Host গুলি যুক্ত করার জন্য কোন ধরনের মিডিয়া ব্যবহার হবে?
·         Transmission media তে Data কীভাবে পরিবাহিত হবে?
·         কখন Data Transmit করতে হবে তা network এর host গুলি কীভাবে জানবে?
·         Transmission এ প্রাপ্ত Data কে কিভাবে যাচাই করা হবে?
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে যে নিয়মকানুন তৈরি হয় তা হল Protocol
এখানে আমরা কিছু Protocol Suite Suite সম্পর্কে জানবো।
IP (Internet Protocol) : TCP/IP Protocol Suite এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ Protocol এইটি। এইটি নির্ধারণ করে দেয় নেটওয়ার্ক এ বিভিন্ন host এর logical address কী হবে। TCP/IP Network এ প্রতিটি host কে একটি unique নম্বর দেওয়া হয়। যাকে IP address বলা হয়। প্রতিটি Host কে 32 Bit এর নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয় যার একটি অংশ থাকে নেটওয়ার্ক এর নম্বর ও আর একটি অংশ Host এর অংশ হিসাবে কাজ করে। একই নেটওয়ার্ক এর ভিতর দুটি Host এর IP address একই হতে পারে না।
TCP (Transmission Control Protocol) : TCP ব্যবহার হয় কানেকশন-  অরিয়েন্টেড নির্ভরযোগ্য ট্রান্সমিশন সার্ভিস এর জন্য। প্রতি Host একসাথে কী পরিমান Data গ্রহন করতে পারবে, DATA Transfer এর জন্য Data packet কোন ধরনের Sequence ব্যবহার করা হবে তার জন্য এটি ব্যবহার হয়।

ARP (Address Resolution Protocol) : Network এ প্রতিটি Host কে চিহ্নিত করা হয় IP address দিয়ে। IP address একটি Logical addressএটিকে আমরা পরিবর্তন করতে পারি। প্রতিটি নেটওয়ার্ক adapter(LAN card) এর একটি করে hardware address বা MAC address থাকে যা আমরা পরিবর্তন করতে পারি না একটি কম্পিউটার যখন অন্য কম্পিউটার এর সাথে IP address দিয়ে যোগাযোগ করতে চাইবে তখন সে যোগাযোগ করতে পারবে যদি তার MAC address বার করতে পারে। প্রতিটি IP address এর বিপরীতে সেই ডিভাইস এর MAC address কী তার একটি সারনি তৈরি করে এই protocol

RARP (Reverse Address Resolution Protocol) : এইটি ARP এর উল্টো কাজ করে। ARP তে আমরা IP address জানলে সেই ডিভাইস এর MAC address জানতে পারি। RARP তে MAC জানা থাকলে IP জানা যায়।

ICMP (Internet Control Message Protocol) : এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ protocol Network এর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য এই protocol ব্যবহার হয়। IP DATAGRAM কোন কারনে বাধাগ্রস্ত হলে তখন ICMP Error মেসেজ পাঠায় প্রেরণকারী ডিভাইস এর নিকট। কয়েকটি Error ও Control মেসেজ হল : Destination host unreachable, Echo, Echo reply, Request time out Etc. এই ধরনের Error মেসেজ দেখে বোঝা যায় কোন ধরনের সমস্যা নেটওয়ার্ক এ ঘটেছে। নেটওয়ার্ক troubleshooting এর জন্য Ping utility এই ICMP ব্যবহার করে। Ping এর মাধ্যমে ICMP packet পাঠানো হয় Host এর নিকট। Host যদি নেটওয়ার্ক এ সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে তবে তার কাছ থেকে উত্তর পাওয়া যাবে। উত্তর না পাওয়া গেলে বুঝতে হবে নেটওয়ার্ক নেই বা বিকল।

FTP (File Transfer Protocol) : একটি কম্পিউটার থেকে আর একটি কম্পিউটার এ file copy করার জন্য এটি ব্যবহার হয়। এটি শুধু একটি Protocol নয়, এটি একটি serviceএর জন্য বিভিন্ন server application ব্যবহার করা হয়। FTP ব্যবহার করে অন্য কম্পিউটার থেকে নিজ কম্পিউটার এ কিছু copy করাকে download এবং নিজ কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ কিছু দেওয়া কে upload বলে।
     Internet থেকে আমরা কিছু Download বা Upload করি তখন সেটি এর মাধ্যমে হয়

 SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) : Email (Electronic Mail) পাঠানোর জন্য SMTP ব্যবহার হয়। শুধুমাত্র Mail পাঠানোর জন্য এটি ব্যবহার হয়।
 HTTP (Hyper Text Transfer Protocol) : আমরা internet browse করি কিভাবে সেটি বোঝার জন্য এই Protocol টি বুঝতে হবে। Internet HTML file ব্যবহার এর জন্য HTTP ব্যবহার হয়। এর মাধ্যমে client server এর মধ্যে দ্রুতগতিতে Data Transfer হয়। এটিতে কেবল দু ধরনের মেসেজ transfer হতে পারে, Client Request এবং Server Response HTTP Server এ থাকে HTML fileএইসব File পাওয়ার জন্য Client Web Browser এ ওই page এর URL(Uniform Resource Location) Type করা হয়। Web browser তখন সেই page এর জন্য অনুরোধ পাঠায় server এ। server তখন সেই অনুরোধ এর প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট page client এর নিকট পাঠায়।

DHCP (Dynamic Host Configuration Protocol) : TCP/IP Network এ host configure করা বড় কাজ। যেমন প্রতিটি host এর ip address, subnet mask, default gateway, DNS server ip ইত্যাদি configure করতে হয়। এইগুলি manually করতে হলে সময় লাগে অনেক বা ভুল হতে পারে। এই জন্য এই প্রক্রিয়াকে automatic করার জন্য এই protocol ব্যবহার হয়। network size বড় হলে DHCP ব্যবহার করা যেতে পারে।

SNMP (Simple Network Management Protocol) : বিভিন্ন Network device monitor manage করার জন্য এই protocol ব্যবহার হয়। বিভিন্ন ধরনের সমস্যা reporting করে থাকে। এটি ব্যবহার এর জন্য প্রতিটি work station SNMP install করতে হবে। এর জন্য SNMP Manager Software দরকার।
DNS (Domain Name System) : ইন্টারনেট একটি TCP/IP networkএখানে প্রতিটি Host কে চিহ্নিত করা হয় IP address দিয়ে। যদি আমাদের প্রতিটি website IP address type করে খুলতে বলা হয় তাহলে সেটা মনে রাখা সম্ভব হবে না। যেমন : 74.125.236.128 এই IP address টা যদি আপনি browser type করেন তাহলে google.com খুলবে। আবার যদি আপনি browser google.com লেখেন, তাহলেও google.com খুলবে। এখন কোনটা আপনার কাছে মনে রাখা সহজ? এইজন্য রয়েছে DNS
Domain name Host name সহযোগে কোনো কম্পিউটার এর যে পুরো নাম তাকে বলা হয়
FQDN (Fully Qualified Domain Name)কোনো browser এ যখন এধরনের FQDN Type করা হয় তখন সেই কম্পিউটার প্রথমে সেই নামের বিপরীতে IP address কী তা জানার চেষ্টা করে। FQDN নামের বিপরীতে IP address এর একটি Database সংরক্ষণ করে DNS server
Loopback Address : Network 127 কে বলা হয় Loopback addressকোন Host কে এই address দেওয়া যাবে না। কারন প্রতিটি Host এই Network এর অংশ। 127.0.0.0 Network কে বলা হয় local network computer নিজের configuration check করার জন্য নিজেকে একটি IP address দেবে 127.0.0.1command prompt খুলে ping localhost type করলে reply পাওয়া যাবে 127.0.0.1 থেকে। এর দ্বারা বোঝা যায় TCP/IP সঠিক ভাবে install হয়েছে কিনা।
Subnet Mask : বড় নেটওয়ার্ক কে ছোটো অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে বলে সাবনেটিং। প্রতিটি TCP/IP host এর অন্তত দুটি তথ্য দরকার পরে। প্রথমত একটি IP address এবং দ্বিতীয়ত একটি subnet maskSubnet mask এর কাজ হল IP address এর কোন বিটগুলি নেটওয়ার্ক ID ও কোনগুলি Host ID তা শনাক্ত করা। Subnet mask না থাকলে কম্পিউটার বুঝতে পারে না IP address এর কোন অংশ network ID ও কোন অংশ Host ID
এর সুবিধা –
(i)          কম নেটওয়ার্ক Traffic
(ii)          উন্নত নেটওয়ার্ক Performance
(iii)         সহজ Management
(iv)         Network বিস্তৃত করার সুবিধা।
  IPv6 : বর্তমানে আমরা IPv4 ব্যবহার করছি। কিন্তু বর্তমানে Internet host এর সংখ্যা বাড়তে বাড়তে এমন সমস্যা দেখা দিছে যে কয়েক বছর পর কোনো host কে IP দেওয়া সম্ভব হবে না। বর্তমানে IP addressing 32 Bit ব্যবহার করা হয়। IPv6 এ ব্যবহার করা হবে 128 Bit128 Bit ব্যবহার হলে সম্ভাব্য host এর সংখ্যা হবে 2128IPv6 address কে প্রকাশ করা হবে হেক্সাডেসিমেল এ। যেমন- EFDC: BA62:7654:3201: EFDC: BA72:7654:3210
IPv6 এ তিন ধরনের address দেওয়া হয়ে থাকে।
(i)Global Address (ii)Link-Local Address (iii)Unique Local Address

ISATAP (Inter Site Automatic Tunnel Addressing Protocol) : ISATAP একটি টানেলিং protocol যা IPv6 network কে IPv4 নেটওয়ার্ক এর সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে ISATAP Router এর মাধ্যমে। IPv4 IPv6 নেটওয়ার্ক এর মধ্যে যোগাযোগের জন্য ISATAP

Address translession করে থাকে। কেবল Private Network ব্যবহারের জন্য ISATAP


পরবর্তী অধ্যায়  NETWORK CONNECTOR(Click করুন)

আগের অধ্যায় OSI MODEL(Click করুন)