Its all about blogging !

Welcome To Bloggy Time--Search The Blog--Explore--Share

12 October 2017

OSI মডেল

ÆOSI MODELÅ
(Open System Interconnect)

বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রস্তুতকারক যাতে একই মাপকাঠি অর্থাৎ Standard অনুসরন করে এবং পরবর্তী কালে কোন অসুবিধা না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য এই মডেলের জন্ম। এর জন্মদাতা ISO(International Standard Organisation)ISO একটি সংস্থা এবং OSI একটি নেটওয়ার্ক রেফারেন্স মডেল।
OSI মডেল কে সাতটি লেয়ার বা স্তরে ভাগ করা হয়-
7) Application Layer
6) Presentation Layer
5) Session Layer
4) Transport Layer
3) Network Layer
2) Data Link Layer
1) Physical Layer
OSI মডেলের প্রতিটি স্তর অন্য স্তর থেকে স্বতন্ত্র এবং একটি অন্যটির উপর নির্ভরশীল নয়। প্রতিটি স্তর নিজ নিজ কাজ করবে এবং উপরের বা নিচের স্তরের সাথে যোগাযোগ রাখবে। কোনো ডিভাইস থেকে DATA প্রবাহিত হওয়ার সময় উৎস ডিভাইস থেকে তা উপর থেকে নিচের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে।
Physical Layer  :-  OSI মডেলের একেবারে নিচের স্তরে Device গুলির মধ্যে ভৌত সংযোগ বর্তমান অর্থাৎ একটি Device এর সাথে আর একটি Device এর সংযোগ ঘটায়। যেমন- Optic fibre, Twisted pair cable

 Data Link Layer : এর কাজ হল Physical Layer এর মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে আর এক ডিভাইস এ ডাটাগ্রাম কে ক্রুটিমুক্ত ভাবে প্রেরন করা। এটি দুটি ডিভাইস এর মধ্যে logic link তৈরি করে। এটি করা হয়ে থাকে দুটি ডিভাইস এর নেটওয়ার্ক (lan card) Address এর উপর ভিত্তি করে (MAC)Data link এর কাজ-framing, Error  control, Physical Addressing, Flow control, Access control

Network Layer : এর কাজ হল Addressing এবং Packet deliveryএই স্তরে data packet কে বলা হয় Datagram Datagram এ যোগ হয় কোন নেটওয়ার্ক এ সেই packet যাবে। প্রতিটি Network adapter এর থাকে একটি বিল্ট ইন নম্বর বা address থাকে বলা হয় মিডিয়া অ্যাক্সেস কন্ট্রোল(MAC) বা Physical addressNetwork address এর জন্য সেই ডিভাইস এর Hardware address কি তা লিপিবদ্ধ করা এই Layer এর কাজ। Network address যদি বর্তমান Network address এর থেকে ভিন্ন হয় তাহলে সে Network এ পৌঁছানোর জন্য একটি উপযোগী পথ বেছে নেওয়া এই Layer এর কাজ।

Transport Layer : এই স্তরের মূল কাজ হল উৎস থেকে গন্তব্যস্তলে(Host to Host) বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া। এই কারনে একে Host to Host বা End to End Layer বলা হয়।
Session Layer : এর কাজ হল উৎস এবং গন্তব্য Device এর মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলা, সেই সংযোগ কে বহাল রাখা এবং প্রয়োজন শেষে সংযোগ বিছিন্ন করা। এই Layer এর অন্যতম কাজ হল Data প্রেরনের ক্ষেত্রে কী কী নিয়ন্ত্রন করতে হবে।

Presentation Layer : এই Layer network service এর জন্য Data translator হিসাবে কাজ করে। প্রেরণকারী Computer এই Layer application Layer এর কাছ থেকে প্রাপ্ত data কে নিচের Layer সমূহের বোধগম্য ফরম্যাটে রূপান্তর করে। যেমন ASCII থেকে EBCDIC format এ রূপান্তর। এর মূল কাজ- Data কমপ্রেশন, ডাটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন, ডাটা কনভার্সন।

Application Layer : এটি OSI মডেলের সপ্তম Layerএর কাজ হল user network service এর   মধ্যবর্তী window হিসাবে কাজ করা যাতে user কোনো application থেকে network service চাইলে সেটিকে OSI মডেলের পরবর্তী layer এ পাঠাতে পারে। এর প্রধান কাজ- রিসোর্স শেয়ারিং, রিমোট ফাইল একসেস, রিমোট প্রিন্টার একসেস, E-mail ইত্যাদি।

(OSI Model এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে)  


পরবর্তী অধ্যায়  NETWORK PROTOCOL(Click করুন)

আগের অধ্যায় MEDIA IN NETWORK(Click করুন)
  
Post a Comment

Popular Posts