Its all about blogging !

Welcome To Bloggy Time--Search The Blog--Explore--Share

13 October 2017

নেটওয়ার্ক এ বিভিন্ন কানেক্টর এবং ডিভাইস

ÆNETWORK CONNECTORSÅ
                  
এখানে আমরা বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সম্পর্কে জানবো।


Lan Card : কম্পিউটার কে নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত করার জন্য বিশেষ ইন্টারফেসের দরকার পড়ে। LAN card এই ইন্টারফেস এর কাজ করে। কম্পিউটার operating system এর সাথে যোগাযোগ গড়ার জন্য Lan card বিশেষ software ব্যব- হার করে থাকে। যাকে বলা হয় Driverপ্রতি Lan card এর বিভিন্ন MAC address থাকে যা পরিবর্তন করা যায় না। Lan card এর সাথে আমরা RJ-45 connector ব্যবহার করে থাকি।

Node : যে কোনো নেটওয়ার্ক এ অবস্তিত সমস্ত work station কে Node বলা যেতে পারে। work station হল computer,printer,router,brouter,gateway ইত্যাদি নেটওয়ার্ক সংযোগ উপাদান সমূহ।

Host : Host বলতে নেটওয়ার্ক এ যুক্ত কম্পিউটার কে বোঝায় যার মূল কাজ নেট ব্যবহারকারীদের নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রদানের সুবিধা দান করা। Host Network এ মূলত server এর ভূমিকা পালন করে 

Hub : যেখানে বিভিন্ন work station থেকে আসা cable সমূহ যুক্ত হতে পারে তাকে আমরা Hub বলতে পারি। বিভিন্ন port বিশিষ্ট Hub বাজারে পাওয়া যায়যেমন- 8 Port, 16 Port, 24 Port ইত্যাদি। Hub input signal কে সমস্ত port এ সমান ভাবে ছড়িয়ে দেয়। এই Port গুলিতে সাধারনত RJ-45 connector ব্যবহৃত হয়। গঠন অনুসারে Hub কে দুভাগে ভাগ করতে পারি। Chassis Hub Stackable Hubএছাড়া তিন ধরনের Hub আছে। Passive Hub, Active Hub, Inteligent HubInteligent Hub signal কে processing,filtering ইত্যাদি করতে পারে। যার ফলে নেটওয়ার্ক এ অযথা traffic তৈরি হয় না। Managed Stackable Hub বিশেষ software ব্যবহার করে। যার দ্বারা বিভিন্ন port এর অবস্থা, কোনটি কী পরিমান Data Transfer করছে তা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

    Repeater : বিভিন্ন Media এর মাধ্যমে Signal transmission এর সময় attenuation এর কারনে সেই signal ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে। সেই জন্য signal কে amplify করার জন্য Repeater ব্যবহৃত হয়। রিপিটার দু ধরনের। Amplifier Signal Re-generatorAmplifier পুরো সিগনাল কে amplify করে। এটি অপ্রয়োজনীয় signal থাকলেও সেটিকে amplify করে। আবার শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় signal কে amplify করার জন্য ব্যবহার হয় signal Re-generator repeater

  Bridge : Bridge এমন একটি ডিভাইস যার মাধ্যমে দুটি নেটওয়ার্ক segment কে যুক্ত করা যেতে পারে। এটি Hub এর মতই,তবে এর কার্যপ্রণালী আলাদা। এটি প্রতিটি সেগমেন্টে বিভিন্ন ডিভাইস এর হিসেব রাখার জন্য ব্রিজিং টেবিল তৈরি করে। এতে থাকে উভয় সেগমেন্টের বিভিন্ন ডিভাইস এর MAC addressকোন data packet এর MAC address দেখে এটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে ওই packet টি কোন অংশে পাঠানোর দরকার আছে কিনা। এই কাজ গুলি করার জন্য Bridge STP (Spanning Tree Protocol)  ব্যবহার করে।

    Switch : Switch কথাটি বল্লে প্রথমেই বাড়ির লাইট বোর্ডের switch গুলির কথা মনে পড়ে। Computer network switch আলাদা। switch আসলে একাধিক port বিশিষ্ট Bridgeকোন data frame switch এর নিকট আসলে switch সেই frame এর গন্তব্য MAC address দেখে এর নির্দিষ্ট port এ সেই frame কে পাঠিয়ে দিতে পারে। একটি switch তার সাথে যুক্ত সকল node এর MAC address এর তালিকা সংরক্ষণ করে। switch দু ভাবে কাজ করে। cut through mode এবং Store and forward modecut through mode switch এর নিকট কোন data frame এর 14 byte আসার সাথে সাথেই এটি বুঝতে পারে কোন port এ এই frame কে পাঠাতে হবে। এরফলে transmission খুব দ্রুত হয়। store and forward mode switch পুরো data frame পাওয়ার পর সেটি পড়ে switch সিদ্ধান্ত নেয় যে সেই data frame কে কোন port এ পাঠাতে হবে। এতে কিছু সময় লাগলেও এটি সুবিধাজনক। যদি দেখে কোনো data frame ক্রুটিযুক্ত তাহলে switch সেটিকে পাস না করে উৎস কম্পিউটার এ re-transmit করে।

    Router : Network device এর সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Routerএক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্ক এ data পাঠানোর পদ্ধতিকে Routing বলে। এই routing এর জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস হল Routerrouter হল bridge এর মতই ডিভাইস। কিন্তু এটি data কে অনেক জটিল ভাবে ব্যবহার করে। দুই বা ততধিক নেটওয়ার্ক কে যুক্ত করে এই Routerতবে Multiprotocol Router ও রয়েছে। router একটি ভিন্ন ডিভাইস হতে পারে। যেমন CISCO Router, বা একটি কম্পিউটার কে router হিসাবে কাজে লাগানর জন্য configure করা যেতে পারে। Linux Unix server কে Router হিসাবে ব্যবহার করে যায়।

   Brouter : Router এবং Bridge এর সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে Brouterএটি একই সঙ্গে Bridge Router এর কাজ করতে পারে।

   Gateway : Gateway হল এমন একটি ডিভাইস যা ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক সমূহ কে যুক্ত করার জন্য ববহৃত হয়। Router,Bridge,Hub,Switch এইসব ডিভাইস protocol translession এর সুবিধা দেয় না, কিন্তু Gateway এটি করতে পারে। Gateway কয়েক ধরনের হতে পারে। যেমন Address Gateway, Protocol Gateway, Application Gateway ইত্যাদি।  


পরবর্তী অধ্যায়  BASIC SERVER KNOWLEDGE(Click করুন)

আগের অধ্যায় NETWORK PROTOCOL(Click করুন)



Post a Comment

Popular Posts